বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

সাংস্কৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে - ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সাংস্কৃতিক সম্পদ সুরক্ষাবিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।
এর মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, প্রত্নসম্পদ রক্ষা, জাদুঘর ব্যবস্থাপনা, মহাফেজখানার নথি ও গ্রন্থাগার সামগ্রী সংরক্ষণ, ডিজিটাইজেশন এবং পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হলো।
শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের প্রিমিয়াম লাউঞ্জে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে নিতাই রায় চৌধুরী এবং তুরস্কের পক্ষে হাকান ফিদান নিজ নিজ সরকারের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও তুরস্কের সংস্কৃতি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং তুরস্কের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ১৯৮১ সালের সাংস্কৃতিক চুক্তি এবং ২০১২ সালের শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, শিল্প, প্রেস ও তথ্য, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সহযোগিতা কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় নতুন এই সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় দুই দেশ ইউনেসকোর ১৯৭০ সালের কনভেনশনের আলোকে সাংস্কৃতিক সম্পদের অবৈধ আমদানি, রপ্তানি ও মালিকানা হস্তান্তর প্রতিরোধে যৌথভাবে কাজ করবে।
পাশাপাশি প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের তালিকাভুক্তি ও নথিবদ্ধকরণে সহযোগিতা বাড়ানো হবে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ ও তুরস্কের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর ও বিস্তৃত করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রত্নতত্ত্ব ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে তুরস্কের আধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক সম্পদ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে তুরস্কের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ ও তুরস্কের সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।