বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার ঘটনায় এবার নতুন মোড় নেওয়ার চেষ্টা করছে প্রধান আসামি সোহেল রানা। মামলার মূল অপরাধ স্বীকার করলেও হত্যার দায় ‘ডলার’ নামের অন্য এক ব্যক্তির ওপর চাপানোর চেষ্টা করেছে সে।
সোমবার (১ জুন) আলোচিত এই মামলায় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুনানি শুরু হয়। বেলা ১১টার পরে উভয়কে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তোলা হলে সাংবাদিকদের সামনে সোহেল রানা এই চাঞ্চল্যকর দাবি করে। একই সঙ্গে নিজের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলেও মন্তব্য করে সে।

আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের উদ্দেশে চিৎকার করে সোহেল রানা বলে, সে একা দোষী না এবং তার স্ত্রীর কোনো দোষ নেই। সব দোষ ডলারের। সে দাবি করে, আমি ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার। ডলার দুই লাখ টাকা দিচ্ছে।
নতুন নাম আসা এই ডলারের পরিচয় জানতে চাওয়া হলে সোহেল রানা জানায়, সে মিরপুর ১১ নম্বর রোডের এক বাড়ির অনেক টাকাওয়ালা লোক। এ সময় নিজের ডিএনএ টেস্ট না করিয়েই ‘অটোমেটিক’ সব লেখা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলে এই আসামি।
এর আগে সকাল পৌনে ৮টার দিকে কড়া পুলিশি পাহারায় আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রামিসার পরিবার ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বাথরুমে বালতির ভেতর তার কাটা মাথা উদ্ধার করে। ঘটনার পরপরই জানালার গ্রিল কেটে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরবর্তীকালে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতে আসামিরা ইতোমধ্যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও আজ শুনানির দিনে এসে প্রধান আসামি নতুন করে দায় এড়ানোর চেষ্টা করল।