বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ফটো
পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিচারপতি, কূটনীতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও উপস্থিত থাকবেন।
ডিএসসিসি জানিয়েছে, জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, পৃথক প্রবেশ ও নামাজের ব্যবস্থা এবং উন্নত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক উদ্যোগ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের আয়তন প্রায় ৩০ হাজার বর্গমিটার। এর মধ্যে প্রায় ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে।
১২১টি কাতারে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। এর মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ ও সাড়ে ৩ হাজার নারী মুসল্লির জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভিআইপি পুরুষদের জন্য পাঁচটি এবং নারীদের জন্য একটি বিশেষ কাতার নির্ধারণ করা হয়েছে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, নারী মুসল্লিদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, পৃথক নামাজের স্থান ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া নারীদের জন্য আলাদা অজুখানার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
অজুখানায় একসঙ্গে প্রায় ১৪০ জন মুসল্লি অজু করতে পারবেন। এর মধ্যে পুরুষদের জন্য ১১৩ জন এবং নারীদের জন্য ২৭ জনের পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে।
ঈদগাহে প্রবেশের জন্য রাখা হয়েছে মোট চারটি ফটক। এর মধ্যে ভিআইপিদের জন্য একটি, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য দুটি এবং নারী মুসল্লিদের জন্য একটি পৃথক ফটক থাকবে।
অন্যদিকে বহির্গমনের জন্য সাতটি ফটকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপিদের জন্য একটি, সাধারণ মুসল্লিদের জন্য পাঁচটি এবং নারীদের জন্য একটি পৃথক ফটক নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন এবং পানি নিরোধক সামিয়ানার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
মুসল্লিদের স্বস্তির জন্য ঈদগাহে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, পর্যাপ্ত ফ্যান, আলোর ব্যবস্থা, নিরাপদ খাবার পানি, কার্পেট ও ভিআইপি কাতারে জায়নামাজ সরবরাহ করা হবে।
ঈদ জামাত উপলক্ষে জাতীয় ঈদগাহে নির্মাণ করা হয়েছে তিনটি দৃষ্টিনন্দন ফটক। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি মুসল্লিদের জন্য নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতেই নেওয়া হয়েছে এসব আয়োজন।