বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

মানবাধিকার সমুন্নত রেখে র্যাব সকল কাজ করবে। এ ছাড়াও র্যাবের নাম ভিন্ন হবে কিনা সরকার তা বিবেচনা করছে। র্যাবের জন্য নতুন আইন হচ্ছে। সেখানে জবাবদিহিতা থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে র্যাব সদর দফতরে বাহিনীটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এ কথা জানান। কিছু কর্মকর্তার কারণে র্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি জানান, র্যাবকে যখন আমেরিকা স্যাংশন দিয়েছিল তখন র্যাব রাজনৈতিক কাজে ব্যবহৃত হতো। তারা যে স্যাংশন দিয়েছিল তা এখনো বহাল আছে। তবে সরকার যদি নতুন নামে আরেকটি এমন বাহিনী গঠন করে তখন তারা হয়তো বিবেচনা করবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে র্যাব তার সমস্ত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে এবং আমরা একটি নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছি যে আইনের অধীনে একটি এলিট ফোর্স হিসেবে একটা বাহিনী থাকবে। আমরা র্যাবের নাম আবার রিনেমড করব কিনা বা অন্য নতুন এলিট ফোর্স আমরা রেইজ করব কিনা সেটা এখনো সরকার বিবেচনা করছে। তবে সব ক্ষেত্রেই এলিট ফোর্সের জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা আমরা এনসিওর করব। যেখাবে একটা অথরিটি থাকবে। রেসপনসিবিলিটি থাকবে।
তিনি আরো বলেন, র্যাবের কিছু কর্মকর্তার কারণে প্রতিষ্ঠান হিসেবে র্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না ফ্যাসিবাদী শাসন আমলে যে সেই প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয় নাই। সেটা পুলিশ, সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু আমাদের স্মরণ রাখতে হবে কয়েকজন কর্মকর্তার কারণে পুরো প্রতিষ্ঠান দায় নিতে পারে না। আমরা এখন যার যার নিজস্ব আইনে সেই প্রতিষ্ঠানের আইনে সে সমস্ত অফিসারদেরকে অ্যাকাউন্টেবল করার জন্য এবং বিচারের আওতায় নিয়ে আসার জন্য অলরেডি অনুশাসন দিয়েছি। কারণ প্রতিষ্ঠান দায়ী না।
র্যাবের ওপর যে স্যাংশন দেওয়া হয়েছে সেই বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমেরিকা যে সময় র্যাবের ওপরে স্যাংশন দিয়েছিল সেই সময় র্যাব এমন কিছু কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল যা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। সেই সময় ফ্যাসিবাদী সরকারে শেখ হাসিনা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে তাদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য একদলীয় শাসন ব্যবস্থার যে উগ্র বাসনা ছিল তা কায়েমের জন্য এভাবে অনেক প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করেছে। সেই কারণে র্যাবের ওপরে যে স্যাংশন আমেরিকা ইম্পোজ করেছে সেটা এখনো বহাল রয়েছে। কিন্তু আমরা যদি এলিট ফোর্স হিসেবে একটা নতুন ফোর্স রিনেমড করি বা রেইজ করি সেখানে হয়তো তারা বিষয়টা পুনর্বিবেচনা করবেন। সেটা আশা করা যায়।
র্যাব নতুন আইনে পরিচালিত হতে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা একটা আইন ফ্রেম করার জন্য কমিটি করে দিয়েছি এবং সেই আইনটা আমি নিজে দেখাশোনা করব। সেই আইনটা আমার সামনে এখনো আসে নাই। আমি কিছু সময় দিয়েছি। সেখানে বিশেষজ্ঞরা কাজ করছে। বর্তমানে র্যাব যে আইনে পরিচালিত হচ্ছে সেটা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের একটা সার্টেন প্রভিশনের ওপরে দাঁড়িয়ে আছে। এটা এডহক ভিত্তিতে চলে। একটা প্রতিষ্ঠান এভাবে এডহক ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া সঠিক ছিল না। এখন আমরা সেটা আইন করব আলাদা এলিট ফোর্সের জন্য। সেখানে অথরিটি দেওয়া থাকবে। তাদের রেসপন্সিবিলিটি ফিক্স করা থাকবে এবং সেই ক্ষেত্রে তাদের জবাবদিহিতা অ্যাকাউন্টেবিলিটি এবং ট্রান্সপারেন্সিটাও নিশ্চিত হবে। সেই হিসেবে আইনটা আসবে। এখনো ডিটেইল বলার সময় আসেনি।