বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক খাতকে আরও পরিবেশবান্ধব, প্রযুক্তিনির্ভর এবং বৈশ্বিক মানসম্পন্ন করে তুলতে চীনের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, সঠিক বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি সৃষ্টি করা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, চীন বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। তবে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বড় বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনা প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বাড়ানো অপরিহার্য। বিশেষত বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত মিল ও কারখানা পুনরুজ্জীবন, পাট খাতের আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার এবং সবুজ শিল্প কারখানা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে চীনা উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সবুজ শিল্পায়নকে এগিয়ে নিতে এখন শুধু উৎপাদন নয়; প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং টেকসই বিনিয়োগই সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সর্বাধিক সবুজ সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানার দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। এখন পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে টেক্সটাইল শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করতে হবে। এই লক্ষ্য পূরণে চীনের প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক শাহ রায়ীদ চৌধুরী, বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল হামিদ পিন্টু, সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফয়েজুল আলম, চায়নিজ এন্টারপ্রাইজ ইন বাংলাদেশের সভাপতি হান কুন এবং ওভারসিজ চায়নিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের সহসভাপতি লিসা লু। অনুষ্ঠানের পর প্রদর্শনীর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
আয়োজকদের তথ্যমতে, সবুজ টেক্সটাইল শিল্পভিত্তিক সবচেয়ে বিশেষায়িত এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ও চীনের খ্যাতনামা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস কোম্পানি, বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তিবিদ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। প্রদর্শনীতে পরিবেশবান্ধব ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য টেক্সটাইল প্রযুক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি বিভিন্ন সেমিনার ও প্যানেল আলোচনায় দুই দেশের শীর্ষ উদ্যোক্তারা অংশ নিচ্ছেন।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন ১৬ মে শেষ হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী উন্মুক্ত থাকবে।