বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন
আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে এবং এইচএসসি পরীক্ষা জুন মাসে আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার বিকেলে গাজীপুরের বোর্ড বাজারে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) আয়োজিত শ্রেষ্ঠত্ব পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা ও অন্যান্য কারণে গত কয়েক বছরে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের সেশনজট তৈরি হয়েছে। সেটিকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং পাঠদান কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খল রাখতে বাস্তবসম্মত সময়সূচি নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও নীতিনির্ধারকদের কারণে কোনো শিক্ষার্থীর জীবন থেকে যেন অতিরিক্ত দুই বছর ঝরে না পড়ে সে জন্য আমরা ধীরে ধীরে সবকিছু সমন্বয় করছি।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে সেশনজট পুরোপুরি দূর করে পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়েই আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সেশনজট নিরসনে শুধু স্কুল-কলেজ নয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি ও একাডেমিক কার্যক্রমও নিয়মিত করা হবে।
তিনি জানান, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে একই দিনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় অংশ নেওয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনের বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, এক বছরে চার মাস সময় কমিয়ে দিলে শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়বে এবং শিখন ঘাটতি তৈরি হবে।
সভায় আলোচনায় উঠে আসে, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিল বা জুনে আয়োজন করলে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ পাবে।
পাশাপাশি ধাপে ধাপে সময়সূচি এগিয়ে এনে ভবিষ্যতে ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নেরও পরামর্শ দেন অংশগ্রহণকারীরা।
সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতেই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি বলেন, যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শিক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য ড. হিসাইন আরাবি নূর-সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।
এ সময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতে সার্টিফিকেট ও সম্মাননা তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।