বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ‘নলেজ করিডোর’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০টি পূর্ণকালীন স্কলারশিপের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান সরকার।
সোমবার (১১ মে) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নলেজ করিডোরের উদ্বোধন ও ‘পাকিস্তান এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আইটি, কৃষি ও বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন আধুনিক বিষয়ে সম্পূর্ণ বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার বিশেষ সুযোগ পাবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাকিস্তান হায়ার এডুকেশন কমিশনের (এইচইসি) হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ডিভিশনের প্রজেক্ট ডিরেক্টর জেহানজেব খান জানান, এই প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৫০০টি স্কলারশিপ বরাদ্দ করা হয়েছে। যার মধ্যে চলতি বছর ১৩০টি স্কলারশিপ দেওয়া হবে। এছাড়া মেলায় অংশ নেওয়া পাকিস্তানের শীর্ষ ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব উদ্যোগে আরও কয়েকশ বৃত্তি প্রদানের সুযোগ রেখেছে।
জেহানজেব খান বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাস প্রায় এক। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পায়। পাকিস্তানের অন্তত ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয় কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে স্থান করে নিয়েছে। আমরা চাই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), কৃষি এবং আধুনিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করুক।
তিনি আরও জানান, কেবল ঢাকাতেই নয়, আগামী ১০ দিনে বাংলাদেশের আরও পাঁচটি প্রধান শহরে এই শিক্ষা মেলা অনুষ্ঠিত হবে। এসব মেলায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন এবং বিষয় নির্বাচন করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল স্কলারশিপ’ সম্পূর্ণ অর্থায়ন করে। অর্থাৎ মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে পাকিস্তানের নামকরা পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়া দুই দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় এবং গবেষণা সহযোগিতার বিষয়েও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।