বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

সৌদি আরব অনুমতি ছাড়া হজ পালনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং হাজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশটি নতুন করে কঠোর হজবিধি কার্যকর করেছে।
এ অবস্থায় বাংলাদেশিদের সৌদি আরবের নির্ধারিত হজবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈধ হজ পারমিট ছাড়া হজ পালন বা পালনের চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে এর পাশাপাশি বহিষ্কার এবং সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সৌদি আরবে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।
এতে আরও বলা হয়, শুধু অবৈধভাবে হজ পালনের চেষ্টা নয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ হাজিদের পরিবহন, আবাসন বা অন্য কোনোভাবে সহযোগিতা করলে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ এক লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা অনুযায়ী জরিমানার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।
এ বিধান ট্রাভেল এজেন্সি, আবাসন সেবাদাতা, যানবাহনের মালিক এবং অবৈধ হাজিদের আশ্রয়দাতাদের জন্যও প্রযোজ্য। এসব কাজে ব্যবহৃত যানবাহন আইনি প্রক্রিয়া শেষে জব্দ করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, কেবল অনুমোদিত হজ পারমিটধারীরাই মক্কা ও নির্ধারিত পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশ করতে পারবেন। সৌদিতে বসবাসকারীসহ সব হাজির জন্যই এ নিয়ম প্রযোজ্য থাকবে। জিলকদ মাসের প্রথম দিন থেকে জিলহজের ১৪ তারিখ পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ধরনের কার্যক্রম হজযাত্রীদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং আইনি শাস্তির মুখে ফেলতে পারে। প্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে হজ পারমিট সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবে।