বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বগুড়া এয়ারফিল্ড ও সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও বিমানবাহিনী প্রধান-ছবি : সংগৃহীত
সরকার বগুড়াকে উত্তরবঙ্গের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি এখানে বিমানবাহিনীর একটি আধুনিক ঘাঁটি স্থাপন এবং পাইলট তৈরির জন্য উন্নত ফ্লাইং একাডেমি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে বগুড়া এয়ারফিল্ড পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এই তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বগুড়াকে আন্তর্জাতিক কার্গো সুবিধা যুক্ত বিমানবন্দরে রূপান্তর করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অঞ্চলের কৃষিপণ্য এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের পণ্য সরাসরি বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরের জন্য ১০,৫০০ ফুটের রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের বাজারমূল্যের তিনগুণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বগুড়ার কৌশলগত গুরুত্বের কারণে এখানে একটি আধুনিক বিমানঘাঁটির প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকার নতুন জঙ্গি বিমান কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং সেগুলো বগুড়া ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হবে যা দেশের আকাশসীমার নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে।
বগুড়ায় স্থাপিত ফ্লাইং একাডেমি দেশের পাইলট ঘাটতি পূরণ করবে। আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাধারণ পরিবারের তরুণ-তরুণীদের জন্য বড় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বগুড়া বিমানবন্দর দ্রুত বাণিজ্যিক উড্ডয়ন সক্ষম হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বগুড়া ছাড়াও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর অর্থনৈতিক চিত্রে বড় পরিবর্তন আসবে। স্থানীয় উন্নয়নে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতাও প্রয়োজন।