বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিটেনাস ভ্যাকসিন এসেছে ৯০ হাজার। ২৪ দিনের মধ্যে এই ভ্যাকসিন দেশে এনে রেকর্ড করেছে সরকার। বুধবার (৬ মে) তিনি এসব তথ্য জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আজকের চালানে ১৫ লাখ ডোজ টিকা একসঙ্গে দেশে এসেছে।
পাশাপাশি ৯ হাজার টিডি-টিটাস সিরিজের টিকাও গ্রহণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রম এখন নিয়মিত ধারায় চলবে এবং প্রতি সপ্তাহে নতুন করে টিকার চালান দেশে পৌঁছাবে।
তিনি আরও জানান, আগামী ১০ মে এক কোটি ৮ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, ওপিভি ও পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা দেশে আসবে এবং তা সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত হবে। সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করে একটি নিরাপদ বাফার স্টক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, দেশে টিকার কোনো সংকট নেই। স্টক ঘাটতির কোনো আশঙ্কাও নেই।
এ জন্য তিনি ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্যাভি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি জানান, গত মাসের ৪ তারিখ থেকে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচিতে ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শতভাগ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
হাম মোকাবিলার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা দেওয়ার পর শরীরে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না হলেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।
তিনি জানান, সম্ভাব্য রোগী বৃদ্ধির কথা বিবেচনায় রেখে হাসপাতালগুলোতে শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঢাকায় একটি বড় অডিটোরিয়ামে অস্থায়ী হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত মোবাইল হাসপাতাল স্থাপন করা যাবে। চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান সরদার মো. সাখাওয়াত।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে টিকা সংকটের একটি বড় কারণ ছিল পর্যাপ্ত মজুত না থাকা এবং নিয়মিত ক্যাম্পেইন না করা। তবে বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
তিনি গণমাধ্যমের ভূমিকা উল্লেখ করে বলেন, সাংবাদিকদের ইতিবাচক প্রচারের ফলে জনসচেতনতা বেড়েছে এবং টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।