বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচির সময় মোট ৫৮ জন নিহত হয়েছিলেন। নিহতদের সবার পরিচয় ইতোমধ্যেই শনাক্ত করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশের তিনটি স্থানে হত্যাকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকায় দিনের বেলা ও রাতে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। পরদিন নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
তিনি জানান, এসব ঘটনার মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জশিট) আগামী ৭ জুনের মধ্যে দাখিল করা হবে।
আমিনুল ইসলাম জানান, নিহতদের পরিচয় ইতোমধ্যে শনাক্ত করা গেছে এবং ঘটনাটি নিয়ে চলমান তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।
এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তৎকালীন দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান এবং আরও অনেককে আসামি করা হবে বলেও জানান তিনি।
প্রায় ১৩ বছর আগে রাজধানীতে সংঘটিত আলোচিত সেই হত্যাকাণ্ডে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর অভিযোগ করেছিলেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে করা এ অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

গত ৫ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় দুই মাস বাড়িয়েছিলেন।
হেফাজতের অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় ব্লগাররা ধর্মীয় অবমাননা ও হজরত মুহাম্মদ সা. সম্পর্কে কটূক্তি এবং আপত্তিকর লেখালেখি করার প্রতিবাদে হেফাজত ইসলাম ১৩ দফা দাবি সরকারের কাছে দেয়। সরকার দাবি না মানায় ২০১৩ সালে ৫ মে মতিঝিল শাপলা চত্বরে রাস্তায় অবস্থান নেয় তারা। ওইদিন রাত ১১টা থেকে পরের দিন বেলা ১১টা পর্যন্ত রাস্তা ও বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে শেখ হাসিনার মদদে আসামিরা যোগসাজশে নিরীহ মাদরাসাছাত্র ও পথচারীদের ওপর গণহত্যা চালায়। তাদের হত্যা করে লাশগুলো সিটি করপোরেশনের গাড়িতে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে গুম করে। এসময় বহু মাদরাসাছাত্র হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তাদের অভিভাবকরা সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা ও জিডি করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ কোনো মামলা নেয়নি।