বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বক্তব্য দিচ্ছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) -ছবি: সংগৃহীত
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) জানিয়েছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এই তথ্য জানান।
এসময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনে মূল আলোচনার বিষয় ছিল বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প। দেশের প্রতিটি জেলায় ছড়িয়ে থাকা পর্যটন স্থানগুলো সংস্কার এবং নতুন পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বিশেষ করে মনপুরা ও নেত্রকোনার মতো জায়গাগুলোতে পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এভাবে চার-পাঁচটি জেলার কথা এসেছে। পর্যটন সুন্দর করে গড়ে তোলা গেলে অনেক দর্শনার্থী আসবে। দেশকেও মানুষ জানবে ও চিনবে।
তিনি বলেন, মাঠ পর্যায় থেকে প্রস্তাবগুলো এলে মন্ত্রণালয় সেগুলো বাস্তবায়নে সব রকম সহযোগিতা করবে।
পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে জানিয়ে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে আগত দর্শনার্থীরা কোনো নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন। পাশাপাশি কক্সবাজারকে আরও ভালো রাখতে ও সমুদ্রসৈকত আরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি একটি প্রশ্নের জবাবে বলেন, সেন্টমার্টিনে বছরের কিছু সময় বন্ধ রাখার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়নি, তবে এটি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কাজই হলো বিমান ও পর্যটন নিয়ে ভাবা।
এসময়, মন্ত্রী অতীতে পর্যটন খাতে কোনো উল্লেখযোগ্য কাজ না হওয়ার কথা তুলে ধরে বলেন, সবচেয়ে রুগ্ন অবস্থায় আছে পর্যটন খাত। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান পর্যটনকে একটি শিল্পে পরিণত করতে এবং সেই লক্ষ্যেই তারা কাজ করে যাচ্ছেন। মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই মিলে সেটা চেষ্টা করছি। তিনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই খাতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
বিমানবন্দর নিয়ে বিভিন্ন জেলার ডিসিরা কী মন্তব্য করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে, মন্ত্রী জানান, সৈয়দপুর বিমানবন্দরের আরও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে সৈয়দপুরের কাজ শুরু করেছি। ঠাকুরগাঁও ও বগুড়ায় নতুন বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বগুড়া সফরের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, আগামী ৭ মে বগুড়া যাচ্ছি সেটি দেখার জন্য। সেখানে বিমানবন্দর ও ফ্লাইং একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে যেখানে গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীরা পাইলট হওয়ার প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন।