বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে অপশাসন চলার পর জনগণের চাহিদা বর্তমান সরকারের কাছে অনেক বেশি। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বপূর্ণ কাজের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা জরুরি।
রবিবার (৩ মে) রাতে বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি এসব মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে বলেন, একটি দায়বদ্ধ, স্বচ্ছ ও জনগণমুখী প্রশাসন গঠন করে জনমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তাই জেলা প্রশাসকদেরকে সরকারী প্রতিশ্রুতি ও প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে তৎপর হতে হবে এবং জনগণের স্বার্থ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকারী উদ্যোগের সুফল যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায় সেদিকে সজাগ থাকতে ডিসিদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকার ডিসিদের সঙ্গে কোনো সভা আয়োজনের সুযোগ দেয়নি। এই ব্যাপারে তিনি বলেন, গত বছর ডিসিদের সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ ছিল না। তখনকার সরকার আমাকে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছিল। তবে বর্তমান সরকার এই প্রথা পুনঃপ্রবর্তন করেছে, এজন্য আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই।
রাষ্ট্রপতি জেলা প্রশাসকদেরকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের জন্য প্রশংসা করেন।
এছাড়া তিনি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আলোচনায় এসে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের উচিত অবৈধ জ্বালানি মজুতদারি রোধ এবং বাজারের দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
দুর্নীতি ও দুঃশাসনকে উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, "সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে এবং মাঠ প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠায় দায়িত্ব নিতে হবে।"
ভাষণের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানও সম্মান জানান।
শেষে, রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের যাদের আত্মত্যাগের ফলে আমাদের দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার বিশাল সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।