বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

প্রতীকি ছবি
বাংলাদেশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় সারাদেশে সহিংসতার ঘটনা নিয়ে দায়ের করা মামলাগুলোর ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিতর্কিত অভিযোগ উঠেছে। বিশেষত জামিন পাওয়ার পরও আসামিদের কারামুক্তি বিলম্বিত হচ্ছে কারণ আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে ‘পুলিশের পাঁচ স্তরের ক্লিয়ারেন্স’ প্রক্রিয়া জটিলতা সৃষ্টি করছে।
যদিও আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর আসামির মুক্তি নিশ্চিত হওয়ার কথা, তবে বাস্তবে তা দ্রুত সম্ভব হচ্ছে না। জামিন আদেশের পর একাধিক ধাপ পার করে আসামিদের মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্যে ক্লিয়ারেন্সের জন্য ঘুষ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, আসামি জামিন পাওয়ার পর প্রথমে ডিসি প্রসিকিউশন, বিভাগীয় পুলিশ, গোয়েন্দা বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে একটি দীর্ঘ ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ঘুষের মাধ্যমে অর্থ আদায় করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জানান, রাজনৈতিক মামলায় জামিন পাওয়া সত্ত্বেও আসামি সহজে মুক্তি পান না। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ ও দালালচক্র মামলার আসামিদের 'ম্যানেজ' করার জন্য টাকা দাবি করছে। একইভাবে, জামিনের পর অন্যান্য মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আসামিদের মুক্তি আটকে রাখা হচ্ছে।
এ ধরনের অনিয়মের মধ্যে জামিন আদেশে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, আসামির মুক্তি নিশ্চিত করতে প্রতিটি স্তরের ক্লিয়ারেন্সে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অনেক সময় জামিনের পরেও নতুন মামলা দায়ের করা হয় যার ফলে আসামির মুক্তি বিলম্বিত হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সহিংসতায় জড়িত না থাকা বহু নিরপরাধ ব্যক্তিকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষত কিছু কুচক্রী মহল ও আইনজীবী সুবিধা লাভের জন্য এসব নিরপরাধ ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে।
এই প্রতিবেদন ঘিরে অভিযোগ উঠেছে, অর্থের বিনিময়ে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ব্যক্তিদের মামল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মুখপাত্র এনএম নাসিরুদ্দিন জানিয়েছেন, আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর কারাগার থেকে মুক্তির জন্য পুলিশের কোনো প্রক্রিয়া নেই। তবে যদি কোনো বিশেষ অভিযোগ থাকে তবে সেটি তদন্ত করা হবে।