বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে কাজ করছে জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে সমুন্নত রেখে শ্রমিক সমাজের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও শ্রমিকদের কল্যাণে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে সবার নব প্রভাত’–এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শ্রমিকদের কল্যাণে ঘোষিত কর্মপরিকল্পনাগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে।
শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই বন্ধ কলকারখানা, চিনিকল ও রেশম কারখানা চালুর কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ছয়টি বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু করা হবে।
শ্রমিকদের অধিকার আরও সুসংহত করতে সরকারের নেয়া আইনি পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দায়িত্ব নেয়ার পরপরই ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখতে বাংলাদেশ এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর ৩৯টি কনভেনশন ও একটি প্রোটোকলে অনুস্বাক্ষর করেছে।
শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে সুসম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় শ্রম অসন্তোষের মতো ঘটনায় শ্রমিকদের জড়িয়ে পড়া উচিত নয়। দেশের টেকসই শিল্পোন্নয়নের স্বার্থে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মিরপুরের রূপনগরে কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৩ জন শ্রমিকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।