বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে দ্রুত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাচনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (চট্টগ্রাম-১৬) জহিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। ধাপে ধাপে অনুষ্ঠানে সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময়ের প্রয়োজন হয়। নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা প্রস্তুত, ভোটের সামগ্রী সংগ্রহ, ধর্মীয় উৎসব, পাবলিক পরীক্ষা, আওহাওয়া, কেন্দ্র চূড়ান্তকরণ ও সংস্কার, নির্বাচনি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে তফসিল ঘোষণা করতে হয়। তফসিল ঘোষণার প্রাক-প্রস্তুতি হিসেবে ন্যূনতম ৪৫ দিন প্রয়োজন হয়।
বিএনপির সংসদ সদস্য (পাবনা-৫) শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেড় লাখ ইভিএম কেনার জন্য তিন হাজার ৮২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৪ মেয়াদে একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। ইভিএমগুলো অর্পিত ক্রয় পদ্ধতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে কেনা হয়। প্রকল্পটি সমাপ্ত হয়েছে।
প্রকল্প সমাপ্তি প্রতিবেদন গত বছরের ১৩ মে বাস্তবায়ন মূল্যায়ন বিভাগে পাঠানো হলেও এখনো মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। অডিট অধিদপ্তর থেকে এই প্রকল্পের অডিট আপত্তি তোলা হয়েছে, যা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। প্রকল্পটির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের অধীন তদন্ত চলমান।
মন্ত্রী জানান, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে না বলে নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে ইভিএমগুলো বিভিন্ন গোডাউন, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বেজমেন্টে সংরক্ষিত।
ফরিদপুর-১ আসনের মো. ইলিয়াস মোল্লার প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকারের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ফরিদপুর ও কুমিল্লা নামে দুটি নতুন বিভাগ গঠনের আনুষ্ঠানিক সুপারিশ করেছে। বর্তমান ঢাকা বিভাগের পাঁচটি জেলা- ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও শরীয়তপুরকে নিয়ে ফরিদপুর বিভাগ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।