বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি ঘটানোর মতো বড় কোনো উদ্দীপক বা এলিমেন্ট (উপাদান) নয় জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বিশ্ববাজারের তুলনায় বাংলাদেশে তেলের দাম অত্যন্ত ‘মডেস্ট’ বা পরিমিতভাবে বাড়ানো হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাইলে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সারা পৃথিবীতে জ্বালানি তেলের মূল্য যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, তার তুলনায় বাংলাদেশে মূল্যবৃদ্ধি নিতান্তই মডেস্ট। আমেরিকায় যুদ্ধের আগে অনেক স্টেটে তেলের দাম ২ ডলার ৭০-৮০ সেন্ট ছিল, যা এখন ৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
পার্শ্ববর্তী দেশ বা আমাদের সমপর্যায়ের অর্থনীতির দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে পেট্রোলিয়াম পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অনেক কম।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে পণ্যমূল্য বাড়ার যুক্তি খণ্ডন করে তিনি বলেন, ডিজেলের দাম আমরা ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা করেছি, যা মাত্র ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি।
একটি শিল্প কারখানার মোট উৎপাদন খরচের মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ থাকে জ্বালানি ব্যয়। সেই ক্ষুদ্র অংশের ওপর ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি সামগ্রিক মূল্যের ওপর খুব একটা প্রভাব ফেলার কথা নয়।
পরিবহন খরচের উদাহরণ দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে একটি বাসের বড়জোর ৩০ লিটার ডিজেল লাগে। এতে খরচ বাড়ে মাত্র ৪৫০ টাকা। এই একই পরিমাণ ডিজেল যদি ১০ হাজার কেজি পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হয়, তবে প্রতি ইউনিট পণ্যের ওপর এর প্রভাব পড়ে যৎসামান্য। তাই গাণিতিক হিসাবে এটি মূল্যস্ফীতি ঘটানোর মতো কোনো এলিমেন্ট নয়।
অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজনে এই দাম বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অর্থনীতির ফান্ডামেন্টাল ব্যালেন্স ঠিক রাখতে বিশ্বের সব দেশ যে নীতি নিয়েছে, আমরাও সেই পথে হেঁটেছি। তবে আমরা অত্যন্ত মডারেট বা সহনীয় পর্যায়ে দাম বাড়িয়েছি।