বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আমরা দেখছি মাঝরাত পর্যন্ত লাইনে থেকেও মানুষ তেল পাচ্ছে না, অথচ সরকারের এ ব্যাপারে কোনো হেলদোল নেই।
তিনি বলেন, আমাদের তেলের দাম শেষমেশ বৃদ্ধিই হইলো। কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল সে মরে নাই। মন্ত্রীরা সংসদে অবলীলায় বলেন বাংলাদেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। তেলের সংকট না থাকলে পাম্পে তিন কিলোমিটার লাইন কেন?
রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে এমন প্রশ্ন ছুড়ে দেন রুমিন ফারহানা।
জ্বালানি তেলের সংকটের চিত্র তুলে ধরে স্বতন্ত্র এ সংসদ সদস্য বলেন, আমাদের তেলের দাম শেষমেশ বৃদ্ধিই হইলো। তার আগে দেখলাম কয়েক কিলোমিটার জুড়ে লম্বা লাইন। আমরা দেখলাম মাঝরাত পযর্ন্ত চালকেরা দাঁড়িয়ে আছে তেল পাচ্ছে না, কিন্তু সরকারের সেই ব্যাপারে কোনো হেলদোল নেই।
তিনি আরও বলেন, সরকার সম্ভবত কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তার একটা হচ্ছে ৭টায় মার্কেট বন্ধ করে দেওয়া। এটা চমৎকার সিদ্ধান্ত তবে মনে রাখতে হবে কেনাকাটা সন্ধ্যার পরেই হয়, তার আগে হয় না। শুনলাম অফিসও নাকি সপ্তাহে চার দিন হবে।
জ্বালানির যদি সংসট না থাকে তবে লম্বা লাইন কেন- এমন প্রশ্ন তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, তাহলে দোকান-পাট সন্ধ্যায় বন্ধ কেন? এই প্রশ্নগুলো কিন্তু ওঠে। মন্ত্রীরা যখন কথা বলেন তখন মনে হয় দেশে কোনো সংকট নেই। উনারা যদি পরিষ্কার করে বলেন বাংলাদেশে কতদিনের অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের মজুত আছে। এটা দিয়ে কতদিন চলতে পারবে। পাম্পগুলো কেন পর্যাপ্ত তেল পায় না।