বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাংলাদেশের সিলেট সীমান্তের ১শ’ কিলোমিটার উজানে ভারতের বরাক নদীতে টিপাইমুখ বাঁধ প্রসঙ্গে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, আমরাই ডেকে ডেকে নিজেদের সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম। এই টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশেরই সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদের অনুরোধে ভারত চালু করেছিল।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ কথা বলেন।
এদিন অধিবেশনে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিকের এক প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর উত্তরের পর স্পিকার ফ্লোর নিয়ে এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।
এর আগে সংসদ সদস্য এম এ মালিক তার প্রশ্নে কালবৈশাখী ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেটের মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বরাক নদীর উজানে ভারতের টিপাইমুখ বাঁধের কারণে বর্ষায় যেমন অকাল বন্যা হয়, তেমনি শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ে। এই বাঁধের ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত বিপর্যয় ও পানিশূন্যতা রোধে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
জবাবে পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, টিপাইমুখ বাঁধের বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ। এই সমস্যা সমাধানে আমি দ্রুতই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করব এবং ভবিষ্যতে এই সংকট নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
মন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এই যে টিপাইমুখ বাঁধ, এটি নিয়ে অনেক রাজনীতি হয়েছে। কিন্তু সত্য হচ্ছে, এটি বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদের অনুরোধেই ভারত চালু করার সুযোগ পেয়েছিল। আজ আমরা তার ফল ভোগ করছি।