বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন -সংগৃহীত ছবি
রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও সংকট শোনেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন যে নিয়মিত ক্লাস হয় না, হাতে-কলমে শেখার জন্য পর্যাপ্ত মেশিনারিজ নেই এবং ল্যাবের যন্ত্রপাতিও পুরোনো। এসব কারণে শিক্ষাজীবনে তারা নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বলে জানান তারা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ শোনার পর মন্ত্রী বলেন, সামনে পরীক্ষা। তাতে তুমি ফেল করলে, ছয় মাস পর আমিও ফেল ; কারও বাঁচার উপায় নেই।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের বাস্তব দক্ষতা অর্জনের সুযোগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কাজ করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, নিয়মিত ক্লাস না হওয়া এবং হাতে-কলমে শেখার সুযোগ কম থাকায় তারা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছেন। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, প্রয়োজনীয় প্র্যাকটিক্যাল সুবিধা না থাকায় বিষয়টি বুঝতে তাদের সমস্যা হচ্ছে।
রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ শোনার পর শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
অনুষ্ঠানে এক শিক্ষক জানান, ১৯৬৩ সালে নির্মিত ভবনে এখনো ক্লাস ও ল্যাব পরিচালনা করতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি না থাকায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে যথাযথভাবে শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাখাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের নির্দেশ দিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সমাধান করা হবে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বাস্তব চাহিদা বোঝার জন্য তাদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে এক শিক্ষক জানান, প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। এ সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া ৭ বছর ধরে চাকরি করেও বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেন ১৯ জন শিক্ষক। এ বিষয়ে মন্ত্রী তাদের পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে আত্তীকরণের আশ্বাস দেন।