বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জাতীয় সংসদে বিল পাস সংক্রান্ত আলোচনায় বক্তব্য দেওয়ার সময় বরাদ্দ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিরোধী দল অভিযোগ করেছে, মাত্র দুই মিনিটে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত প্রকাশ করা অসম্ভব। এই পরিস্থিতিতে স্পিকার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলের বিতর্কের সৃষ্টি হয়, যা সংসদীয় কার্যক্রমে খানিকটা উত্তেজনা যোগ করে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংসদে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ পাসের পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুই মিনিট সময়ের মধ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা সম্ভব নয়। আমরা কেন ভিন্নমত দিয়েছি, তার ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগই পাচ্ছি না। ট্রেজারি বেঞ্চ যেখানে দীর্ঘ সময় পাচ্ছে, সেখানে আমাদের সীমিত সময় দেওয়া হচ্ছে, এটা বৈষম্যমূলক।
তার দাবি, সংসদে কার্যকর বিতর্ক নিশ্চিত করতে বিরোধী দলের জন্য পর্যাপ্ত সময় বরাদ্দ দিতে হবে।
এ বিষয়ে স্পিকার বলেন, অতীতের নজির অনুযায়ী আপত্তি উত্থাপনের ক্ষেত্রে সাধারণত দুই মিনিট সময় দেওয়া হতো। তবে এবার তিনি ছয় মিনিট সময় দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনে সময় আরও কিছুটা বাড়ানো হতে পারে।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, সবকিছুই সংসদের বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। তিনি জানান, আপত্তি উত্থাপনকারীদের ইতোমধ্যে নিয়মের চেয়ে বেশি সময় দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বিরোধী দল চাইলে কার্যপ্রণালী বিধি অনুসরণ করে দ্বিতীয় বা তৃতীয় পাঠে আরও বিস্তারিত আলোচনা করার সুযোগ পেতে পারে।
সব মিলিয়ে, সংসদে সময় বরাদ্দ নিয়ে এই তর্ক-বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি করেছে।