বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, অতীতের তদন্ত করে কাউকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে আমাদের লাভ নেই। আমরা কাজ করতে চাই।
শনিবার (৪ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে জরুরি হাম-রুবেলা টিকা কর্মসূচি উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম জোরদারে সরকার কাজ করছে।
অতীতে টিকাদানের হার কমে আসার বিষয়ে তদন্ত করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অতীতের ব্যর্থতা নিয়ে সময় নষ্ট না করে বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমাকে আমার মানুষকে বাঁচাতে হবে, আমার শিশুদের বাঁচাতে হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, তারা আগে টিকা নিয়ে থাকুক বা না থাকুক। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
শিশু হাসপাতালের আইসিইউ সংকট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যমান আইসিইউ সক্ষমতা চাপের মুখে পড়েছে। আইসিইউ বেড বাড়ানো সহজ নয়, তবে আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যেসব রোগীর আইসিইউ প্রয়োজন, তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. জিয়া হায়দার, স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হাম-রুবেলা টিকা কর্মসূচিতে ২০২৩ সালে শতভাগ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ২০২৪ সালে ৯৭ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৯২ দশমিক ৭৩ শতাংশ সফলতা ছিল তৎকালীন সরকারের। এ সময়ে টিকা কর্মীরা নানা সময়ে তাদের দাবি নিয়ে আন্দোলন করে কর্মবিরতি করেন।