বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিরোধী দল ওয়াকআউট করতে চেয়েছেন, তারা ওয়াকআউট করতে পারেন৷ সংসদের সংস্কৃতিতে সেটা আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এদিন গণভোটের সংস্কার প্রস্তাব এবং পরিষদ গঠন নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধীদল। বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিবাদস্বরূপ বিরোধীদলের এমপিরা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।
ওয়াকআউটের আগে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে গণভোটের সংস্কার প্রস্তাব এবং সংবিধান পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় ওয়াকআউটের কথা বলেন। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এ কথা বলেন৷
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা ওয়াকআউট করতে চেয়েছেন, পার্লামেন্টের কালচারে সেটা আছে, রাইট আছে তারা ওয়াক আউটকরতে পারেন ৷ তবে যে কথাগুলো রেকর্ডেড হয়ে গেল তার বিপরীতে আমাদের বক্তব্যটা এক দুই মিনিট রেকর্ডে থাকা ভালো৷
তিনি বলেন, যে মূলতবি প্রস্তাবটা আপনার অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার প্রিসাইড করেছেন, উনি গ্রহণ করেছিলেন৷ তখনই আমি আপত্তি উত্থাপন করেছিলাম যেটা ৬৮ বিধিতে হতে পারে ৷ কিন্তু মূলত প্রস্তাব, যে রুলস অব প্রসেস আছে তার মধ্যে আপনি রাইটলি আইডেন্টিফাই করেছেন সেটা আমি আগে উত্থাপন করেছি। যে বিষয়টি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হতে পারে সেরকম কোনো বিষয় মূলতবি প্রস্তাবে আলোচনা করার বিধান নাই। এটা আপনাদের উদারতা, হাউজের অভিভাবক হিসেবে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উত্থাপিত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনি আলোচনার জন্য রেখেছেন এবং সেটা দু ঘণ্টা আলোচনার জন্য সময় নির্ধারিত হয়েছে। পক্ষে আলাপ আলোচনা হয়েছে৷ কিন্তু এটা যেহেতু বিধি বহির্ভূত এবং আলাপ আলোচনা হয়ে যাওয়ার পরে পার্লামেন্টের প্র্যাকটিস হচ্ছে ইটস টক আউট আলোচিত হয়েছে সুতরাং আলোচনার পরে নিষ্পত্তি কি হবে সেজন্য ভোটাভুটি দেয়ার কোনো বিধান নাই৷ শুধুমাত্র মূলতবি প্রস্তাব উত্থাপিত হবে কিনা, উত্থাপিত হবে অথবা হবে না তার উপরে ভোটাভুটির বিধান আছে ৷ কিন্তু আপনি যদি তখন ভোটাভুটি বিধান দিতেন তাহলে এই আলোচনা প্রস্তাব উত্থাপিতই হতো না। অথবা আরেকটা আপনার অপশন আছে স্পিকার হিসেবে আপনি কোনো মূলতবি প্রস্তাব বিবেচনা করবেন অথবা বিবেচনা করবেন না, আপনি এটা রিড আউট করে ৷ এটা প্রিভিলেজ হলো অপোজিশন মেম্বার কেউ যখন সরকারি কর্ম বাধাগ্রস্ত করতে চায় ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নজির অনুসারে তারা ট্রেজারি বেঞ্চের আলোচনা যাতে এগিয়ে না যায় সেজন্য মূলতবি প্রস্তাব তুলে। তোলার পরে সেটা মূলতবি হলো কি হলো না সেটা স্পিকারের এখতিয়ার অথবা ভোটাভুটির এখতিয়ার। তখন মূলতবি প্রস্তাবটা আলোচনা না হলেও প্রিভিলেজটা হলো যে তাদের উত্থাপিত বিষয়টা আপনাকে পড়তে হয় সেটাই।
তিনি বলেন, আমরা কোনো মূলতবি প্রস্তাব এখানে রিড আউট করি নাই। উনি (বিরোধী দলের নেতা) যেটা বলেছেন সেটা অসত্য বলেছেন, যেটা মূলতবি প্রস্তাব আমিও শুনেছি আজকে একজন বেসরকারি সদস্য উত্থাপন করতে পারেন। সেটা আপনাকে বিবেচনা করতে হবে। যেহেতু একই বিষয়ে আপনি বিরোধী দলের নেতার একই রকম মূলতবি প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন৷ এজ এ ম্যাটার অফ রাইট বেসরকারি সদস্য সেটা ক্লেইম করতে পারে।