বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণায় সারা জাতি উজ্জীবিত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, ‘শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা ১৯৭১ সালে দিশেহারা বাঙালিকে দিয়েছিল পথের দিশা। মহান মুক্তিযুদ্ধে সাড়ে ৭ কোটি বাঙালিকে উজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছিলো।
আহমেদ আযম খান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ভেসে আসা সেই কণ্ঠস্বর ছিল মূলত দিশেহারা জাতির জন্য এক শক্তিশালী প্রভাবক, যা মানুষকে দেশমাতৃকার টানে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিলো।
মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী সেই সময়কালে ছোট ছোট ট্রানজিস্টারগুলো ছিল খবরের প্রধান উৎস। এই ট্রানজিস্টারেই বেজে উঠেছিল জিয়াউর রহমানের কণ্ঠে জাতির মুক্তির বার্তা, স্বাধীনতার ঘোষণা।
তিনি বলেন, সেই সময়ে ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চ ছাড়িয়ে পুরো ৯ মাসই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমানের বজ্র কণ্ঠে স্বাধীনতার সেই ঘোষণার অনুরণ শোনা যেত। জনযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে এই ঘোষণা ছিল শক্তি আর অনুপ্রেরণার প্রতীক। শুধু তাই নয়, এটি ছিল রণকৌশলগত দিকনির্দেশনা, যা সারা দেশের মানুষের মধ্যে এক অভাবনীয় ঐক্য ও সাহসের সঞ্চার করেছিল।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বলেন, ‘তৎকালীন সাড়ে ৭ কোটি মানুষের প্রতিটি হৃদয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাটি আস্থার জায়গা নিয়েছিল। স্বাধীনতার সেই অমোঘ বার্তাটি পৌঁছে গিয়েছিল প্রতিটি ঘরে ঘরে। সাধারণ মানুষের মনে এই বিশ্বাসের জন্ম দিয়েছিল যে, এবার বুক চিতিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মোকাবিলা করার সময় এসেছে। তাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই ঘোষণাটি কেবল একটি সূচনা ছিল না, বরং তা ছিল চূড়ান্ত বিজয়ের পথে এক অবিচ্ছেদ্য প্রেরণা।