বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ বজায় রেখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তি বাস্তবায়নে যাবে সরকার। তবে এক্ষেত্রে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা হবে।’ সোমবার (২৩ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে শেখ হাসিনা সরকার পুরো বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, এখানে কোনো কাজই হয়নি। সেই জায়গা থেকে বিএনপির অবশ্যই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের এক্সপেরিয়েন্স আছে। দুইবার আমরা সাকসেসফুলি করতে পেরেছিলাম। কিন্তু এখনকার চেয়ে বিগত দিনের পার্থক্য হচ্ছে যে, এখন অনেক বেশি কমপ্লিকেটেড।
শামা ওবায়েদ বলেন, আমাদের ওখানে বর্ডারে অত্যন্ত ভোলাটাইল, ভালনারেবল অবস্থায় আছে বর্ডার। ওইটাকে মাথায় রেখে আমাদের রোহিঙ্গার সমস্যার সমাধান বা ওদের রিপ্যাট্রিয়েশনে কাজ করতে হবে। সেটার জন্য আমাদের ধারণা— এটা মোর অফ অ্যা পলিটিক্যাল ইস্যু, তারপর ডিপ্লোম্যাটিক ইস্যু।
তিনি বলেন, আমাদের দুইভাবেই মায়ানমার সরকার আর আরাকান আর্মির সঙ্গে কাজ চালাতে হবে, যাতে এখানে একটা একটা স্থায়ী সমাধান আসে। কারণ আমরা রিপ্যাট্রিয়েশন করতে চাই কিন্তু রিপ্যাট্রিয়েট হয়ে তারা কোথায় যাবে, তাদের একটা সেফ জায়গা লাগবে। তাদের নিজেদের দেশে ফেরত যাওয়ার জন্য তো সেই জায়গাটা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আমরা কাজ করে যাচ্ছি, কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছি।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাদের সঙ্গে কাজ চলছে। মায়ানমারে মাত্র একটা নতুন সরকার এসেছে, তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা শুরু হয়েছে।
আরাকান আর্মির সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে বিভিন্ন লেভেলে। বাংলাদেশ সরকারের একার পক্ষে এটা সম্ভব না, যেটা আওয়ামী লীগ সরকার চেষ্টা করেছিল দ্বিপাক্ষিকভাবে তাদের সঙ্গে। কিন্তু এটা তারা ফেইল করেছে। আমাদের আসিয়ান দেশগুলো চীন, ইন্ডিয়া, মুসলিম দেশগুলো, ওয়েস্টার্ন দেশগুলো সবারই একটা স্ট্রং সহযোগিতা এখানে লাগবে। কারণ রোহিঙ্গার ক্রাইসিসটা বিশ্বের একটি অন্যতম বড় ইস্যু।