বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

দেশে ফেব্রুয়ারি মাসে ৪৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত ও এক হাজার ১৮১ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে ৩৪টি দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু ও ১১ জন আহত এবং নৌ পথে ছয়টি দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যু ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসাবে, ফেব্রুয়ারির ২৮ দিনে সড়ক, রেল ও নৌ পথে মোট ৪৮৮টি দুর্ঘটনায় ৪৭৭ প্রাণহানি হয়েছে। আহত হয়েছেন এক হাজার ১৯৭ জন।
শুক্রবার (০৬ মার্চ) সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে।
দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ পর্যবেক্ষণ করে যাত্রী কল্যাণ সমিতি এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
দুর্ঘটনার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। ১১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৫ জন নিহত ও ৩৮৭ জন আহত হয়েছেন। সর্বনিম্ন বরিশাল বিভাগে, ২২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ৮৫ জন আহত হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে মোটরসাইকেল, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। ১৫১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৭ জন নিহত, ১৩৭ জন আহত হয়েছে। শতকরা হিসাবে নিহত ৩৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ ও আহত ১১ দশমিক ৬০ শতাংশ।
মোট দুর্ঘটনার ৪২ দশমিক ৬৩ শতাংশ হয়েছে জাতীয় মহাসড়কে।
সংগঠনটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, অনভিজ্ঞ ব্যবস্থাপনা, নীতিগত দুর্বলতা, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত যান, উল্টো পথে গাড়ি চলাচল, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানোর মতো কারণগুলো দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে যাত্রী কল্যাণ সমিতি উন্নত বিশ্বের নীতির আলোকে সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কার, চালকদের প্রশিক্ষণ জোরদার, সিসিটিভির মাধ্যমে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, মহাসড়কে সার্ভিস লেন ও ফুটপাত নির্মাণ, চাঁদাবাজি বন্ধ, ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণ এবং আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুপারিশ করেছে।