বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

পদত্যাগকারী দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন (সংগৃহীত)
নতুন সরকারের প্রত্যাশা পূরণ ও কাজ করার সুযোগ করে দিতেই পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনসহ দুই কমিশনার। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর দুদক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, নতুন সরকারের প্রত্যাশা আছে, যে কারণে তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে সহযোগী হিসেবে আমরা পদত্যাগ করেছি। নির্বাচিত সরকার আসার ১৪তম দিনে আমরা পদত্যাগ করলাম। এর বিশেষ কোনো কারণ নেই।
এ সময় তার সঙ্গে পদত্যাগ করা দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ উপস্থিত ছিলেন।
পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে ড. মোমেন বলেন, আমরা অনুভব করেছি যে পরিবর্তনের পর নির্বাচিত যে সরকার এসেছে, তাদেরও প্রত্যাশা রয়েছে। সরকার সেই প্রত্যাশা পূরণের জন্য নিশ্চয়ই আমাদের চেয়ে অধিকতর যোগ্য কমিশন এখানে স্থাপন করবেন। এতে দুদক যেমন ভালো হবে, রাষ্ট্রেরও উপকার হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। নতুন সরকারের সময় যে অংশটুকু কাজ করতে পেরেছি, সে জন্য আমরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা বিচার করার মালিক আপনারা। আমাদের এত দিন নখ-দাঁত ছিল কি ছিল না, তা আপনারা ভালো বুঝতে পারবেন। আমরা আমাদের সময়টুকুতে দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি।
অন্য এক প্রশ্নে বিদায়ী চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের নিজস্ব ইশতেহার ও প্রত্যাশা থাকে। সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করবে, এতে আমি ব্যত্যয় কিছু দেখছি না। আমরাও অনুভব করছি যে এখন আমাদের চেয়ে অধিকতর যোগ্য লোকের কাজ করা প্রয়োজন।
দুদক আইন অনুযায়ী, কমিশনের চেয়ারম্যান বা কমিশনাররা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। সাধারণত এক মাস আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে এই চিঠি পাঠাতে হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তা কার্যকর হয়।