বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর -ছবি : সংগৃহীত
২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পিত চেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ওই ঘটনার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা কাঠামোকে বিপর্যস্ত করার গভীর ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা হয়েছিল।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের এই দিনে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ প্রায় ৭২ জন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিহত হন। তার ভাষায়, দিনটি জাতির ইতিহাসে এক লজ্জাজনক ও বেদনাবিধুর অধ্যায়।
তিনি দাবি করেন, শুধু হত্যাকাণ্ডই নয় এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ছিল।
তার মতে, একযোগে এতসংখ্যক জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যার উদ্দেশ্য ছিল বাহিনীর নেতৃত্ব ও মনোবলে আঘাত হানা। তবে জনগণের ঐক্য ও প্রতিরোধের কারণে সেই অপচেষ্টা সফল হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে তার দল। একটি কার্যকর ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী করাই সরকারের অগ্রাধিকার। পাশাপাশি বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নিশ্চিত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা সরকারের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জাতীয় শহীদ সেনা দিবসে দেওয়া এ বক্তব্যের মাধ্যমে সরকার একদিকে সেনাবাহিনীর প্রতি সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছে অন্যদিকে অতীতের বিতর্কিত অধ্যায়ের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্ট করেছে।