বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর -ছবি: সংগৃহীত
যত দ্রুত সম্ভব ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদের শূন্য পদগুলোতে নির্বাচন আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব আমরা এসব পদে নির্বাচনের ব্যবস্থা করব। এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, ডেমোক্রেসি আমাদের মূল ভিত্তি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সরাসরি তৃণমূল মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, নিজে স্থানীয় সরকারে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকায় এই খাতকে আরও কার্যকর ও ডায়নামিক করে তুলতে পারবেন বলে বিশ্বাস করেন।
দেশের আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি ভঙ্গুর এমন মন্তব্যের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আপনারা যতটা খারাপভাবে দেখছেন, বাস্তবে পরিস্থিতি অতটা খারাপ নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ম্যাক্রো ইকোনমিক স্থিতিশীলতাও অনেকটা ফিরে এসেছে। ব্যাংকিং খাতও নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
তিনি বলেন, আমাদের ওপর দিয়ে বড় ঝড় গেছে বিপ্লব, বিদ্রোহ ও গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। সবকিছু মুহূর্তে স্বাভাবিক হয়ে যাবে এমনটা আশা করা ঠিক নয়। তবে সমন্বিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।
অন্তর্বর্তী সরকারের কার্ক্রম নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রয়োজন নেই। কারণ তারা একটা বিশেষ মুহূর্তে দায়িত্ব নিয়েছে।
সেই সময়, আমি মনে করি, আমার দলও মনে করে যতটুকু প্রয়োজন ছিল তারা সেই কাজের সিংহভাগ করতে পেরেছে যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মূল সমস্যাটা কী ছিল? ট্রানজিশন টু ডেমোক্রেসি। সেটা তো তারা করে দিয়ে গেছে। সুতরাং ইউ মাস্ট গিভ ক্রেডিট টু দেম (তাদের সেই কৃতিত্ব)। দিতেই হবে। তারা অনেক ভালো কাজ করেছে।
মব জাস্টিস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অবশ্যই এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে আমরা কাজ করছি।
সরকারের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছি। চ্যালেঞ্জটা হচ্ছে- টু বিল্ড দ্য নেশন (দেশকে গড়ে তোলা)।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী, যিনি আমাদের এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তার প্রথম কথাটি ছিল বাংলাদেশের জন্য, আই হ্যাভ এ প্ল্যান (আমার একটা পরিকল্পনা আছে)। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি তার মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, মন্ত্রিসভা তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে, বাংলাদেশের মানুষের সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করবে এবং বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে সামনের দিকে।
ফখরুল বলেন, ডেমোক্রেসি হচ্ছে আমাদের প্রধান... ইনগ্রেডিয়েন্ট (উপাদান), যাকে নিয়ে আমরা সামনে এগোচ্ছি। অর্থাৎ আমাদের সবকিছুর মধ্যেই গণতন্ত্র থাকবে। আমরা সেই গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করি।
তিনি বলেন, বিশেষ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, এটার পুরোপুরি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক, একেবারে গ্রাসরুট (তৃণমূল) মানুষের সঙ্গে। আমার একটা অ্যাডভান্টেজ আছে, আমি কিন্তু একসময় নিজে লোকাল গভর্নমেন্টে ছিলাম। তো আমরা এই জিনিসগুলো সম্পর্কে কিছু ধারণা রাখি।
তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি যে আপনাদের এই মন্ত্রণালয়কে অত্যন্ত ডাইনামিক (গতিময়) একটা মন্ত্রণালয়ে পরিণত করতে পারব। মানুষের যে সমস্যাগুলো আছে, সেই সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কাজ করতে পারব।
আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, আপনারা যতটা খারাপভাবে দেখছেন, অতটা খারাপ না। আমাদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অর্থনীতি, ম্যাক্রো ইকোনমিক স্ট্যাবিলিটি (ব্যাষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা) এটা অনেক ফিরে এসেছে। ব্যাংক তো অনেকটা কন্ট্রোলে এসেছে। এগুলো তো ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। আমরা মনে করি, সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় এটাকে আরও ভালো করতে পারব।
আওয়ামীলীগের বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এটা আমরা পলিটিক্যালি পরে আপনাদের জানাব। আমাদের গভর্নমেন্টের আলোচনার পরে জানাব।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।