বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে তিনটি ভিন্ন সরকারকে তিনি শপথ পাঠ করিয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথবাক্য পাঠ করান নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। একই সঙ্গে তার নেতৃত্বে গঠিত সরকারের মন্ত্রি ও প্রতিমন্ত্রীরাও শপথ নেন।
এর আগে ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। তবে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সেই সরকার পতিত হয়। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারকেও তিনি শপথ পাঠ করান।
সাধারণত একজন রাষ্ট্রপতি তার মেয়াদে এক বা দুবার শপথ পড়ান কিন্তু তিন বছরে তিনটি আলাদা সরকারের শপথ পড়ানোর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরল নজির স্থাপন করেছেন।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি জোট ২১২ আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। দেশের ষষ্ঠবার ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করায় বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ৫০ জন সদস্য রয়েছেন। যার মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী (তিনজন টেকনোক্র্যাট) ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী।
এবারের মন্ত্রিসভায় অনেক নতুন মুখ আছেন। যারা আগে কখনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হননি। মন্ত্রীদের মধ্যে ১৭ জন নতুন মুখ, প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে ২৪ জনই নতুন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এবার প্রথমবার মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন মুখের এই সমন্বয় ও রাষ্ট্রপতির ঐতিহাসিক পদক্ষেপ একদিকে যেমন সরকারকে শক্তিশালী ও জনমুখী করেছে অন্যদিকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার নতুন বার্তা দিয়েছে।