বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ৮৬ হাজার অপতথ্যের কনটেন্ট পেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে ৩৬ হাজারের মতো হিংসাত্মক কনটেন্ট তৈরি হয়েছে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ও নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহকে নিয়েও ছড়ানো হয়েছে অপতথ্য। এ ছাড়া বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়েও ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্যের কনটেন্ট।
এআইভিত্তিক অপতথ্য সবচেয়ে বেশি ছড়ানো হচ্ছে মেটা প্লাটফর্ম থেকে। মেটার ফেসবুক থেকে ৮৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া ১০ দশমিক ১২ শতাংশ কনটেন্ট ছড়ানো হয়েছে এক্স থেকে। এআই অপতথ্য চিহ্নিত করতে ইসিকে সহায়তা করছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি-ইউএনডিপির ই-মনিটর প্লাস প্লাটফর্ম।
তাদের দেওয়া তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে সরবরাহ করছে ইসি। বাহিনীগুলো স্ব স্ব সেল থেকে এসব অপতথ্য মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এ ছাড়া ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)ও ইসিকে এআইভিত্তিক অপতথ্য মোকাবিলায় সহায়তা দিচ্ছে।
জানা গেছে, সিইসি ও নির্বাচন কমিশন আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহর নামেও ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়, যা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ করে ইসি।
এদিকে টিকটকের মাধ্যমে যেন এআই নির্ভর অপতথ্য না ছড়ায়, সেজন্য প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছে ইন-অ্যাপ নির্বাচন তথ্যকেন্দ্র। টিকটক একইসঙ্গে রিপোর্ট করা কনটেন্টগুলো বা গাইডলাইনের বাইরের কনটেন্টগুলো নামিয়ে ফেলছে।