বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ (প্রথম পর্যায়) তথা বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ও সময়সীমা আবারও বাড়ানো হয়েছে। প্রকল্পটির তৃতীয় সংশোধনীতে নতুন করে ৮৪৭ কোটি ৫৮ লাখ (প্রায় ৮৪৮ কোটি) টাকা বরাদ্দ দেওয়ায় এর সামগ্রিক প্রাক্কলিত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২১৩ কোটি টাকায়। একই সঙ্গে প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর বৈঠকে এই তৃতীয় সংশোধনীর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়। আজকের বৈঠকে মোট ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে এবং ৩টি প্রকল্প পুনর্গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
২০১৬ সালে ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা প্রাথমিক প্রাক্কলিত ব্যয়ে বিমানবন্দর সম্প্রসারণের এই মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, যা ২০২২ সালের জুনে সম্পন্ন করার লক্ষ্য ছিল। তবে কাজের ধীরগতি ও নকশায় পরিবর্তনের কারণে দ্বিতীয় সংশোধনীতেই এর ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ২১ হাজার ৩৬৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সবশেষ তৃতীয় দফায় নতুন ব্যয় বৃদ্ধির পর মোট বাজেট ২২ হাজার ২১৩ কোটি টাকায় পৌঁছাল। এই মেগা প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে দেওয়া হচ্ছে ৫ হাজার ১১৬ কোটি টাকা এবং বাকি ১৭ হাজার ৯৭ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে জোগান দিচ্ছে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী জানান, প্রকল্পের অযৌক্তিক কালক্ষেপণ ও দফায় দফায় ব্যয়বৃদ্ধি রোধ করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অতীতে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে জাতীয় স্বার্থে যথাযথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা নিশ্চিত করতে একটি নতুন স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।