বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

রাজধানীর সড়কগুলোতে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী কোনো যানবাহন চলাচল করতে দেখলেই তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। দূষণকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযানের গতি বাড়িয়ে কেবল গত জুলাই মাসেই ৯১৫টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান।
তিনি উল্লেখ করেন, যানবাহনের বার্ষিক ফিটনেস সনদ নিশ্চিত করার দায়িত্ব বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ)। ট্রাফিক পুলিশ মূলত আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। ত্রুটিপূর্ণ ইঞ্জিন এবং নিম্নমানের জ্বালানির কারণে নির্গত এই বিষাক্ত ধোঁয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে সড়কে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা চোখ জ্বালাপোড়া ও ফুসফুসের জটিলতাসহ সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
গত জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে যানবাহনের দূষণ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর থেকে বিশেষ এই অভিযান আরও জোরদার করা হয়। জুলাইয়ে দায়ের করা ৯১৫টি মামলার শিকার যানবাহনের সিংহভাগই ছিল বাস ও কাভার্ডভ্যান। মাত্রাতিরিক্ত কালো ধোঁয়া খালি চোখেই স্পষ্ট দৃশ্যমান হওয়ায় কোনো বিশেষ যন্ত্র ছাড়াই সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী সরাসরি মামলা ও জরিমানা করা হচ্ছে। এমনকি একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটলে দ্বিগুণ জরিমানার বিধান প্রয়োগ করা হচ্ছে।
বিআরটিএ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে যৌথ চেকপোস্ট পরিচালনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চালকেরা যানবাহন লুকিয়ে রাখেন এবং অভিযান শেষে পুনরায় রাস্তায় নামেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু মামলা ও জরিমানা করে এই সংকট পুরোপুরি সমাধান সম্ভব নয়; মালিক ও শ্রমিকদের নিজ উদ্যোগে গাড়ির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।
শব্দদূষণ রোধেও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আনিছুর রহমান বলেন, সাইলেন্ট জোনেও বেপরোয়া হর্ন বাজানোর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হচ্ছে। উন্নত বিশ্বের মতো ডিজিটাল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ‘হর্ন পি’ ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে, যা বাজেট ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতি সাপেক্ষে শিগগিরই পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।