বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ ও পদায়ন না হওয়ায় রাস্তায় নেমেছেন প্রার্থীরা।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেন তারা। এসময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম।
তিনি বলেন, গত দেড় বছরে আমি কয়েক হাজার আন্দোলন দেখেছি। এর আগেও প্রাইমারি শিক্ষকদের বিরাট বড় একটা ঝামেলা ছিল। যেটা পরবর্তীতে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ঝামেলা হয়। তাদের চাকরি হচ্ছিল না। পরে তো হইছে, আমরাই যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছি। পরে যখন রাস্তায় যায়, তখন কিন্তু ওদেরই ক্ষতি হয়েছে।
মাসুদ আলম বলেন, তোমরাও নিয়োগপ্রাপ্ত হবা। ক্ষতি করার তো দরকার নাই। কোথায় কোন সমস্যা আছে সেটি অ্যাড্রেস করা তো আমাদেরই দায়িত্ব। আমরা সবাই মিলে কাজটি করবো। তোমাদের সাথে তো ঝামেলা করার কোনো দরকার আমার নাই। এরপর যদি তোমরা রাস্তায় নামো, রাস্তা অবরোধ করো, আমরা কি বসে থাকব?
তিনি আরও বলেন, তোমরা রাস্তা অবরোধ না করে কয়েকজন আসো। আমার সাথে, আমার প্রতিনিধি হয়ে মন্ত্রণালয়ে কথা বলো। সেখানে প্রতিমন্ত্রী আছে, সচিব আছে সমাধান তো তারাই দেবেন। সেখানে সমাধান না পেলে তোমরা এখনে আবার বসো।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন প্রার্থীরা। সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ভাষ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নির্বাচিত করা হয়। ফল প্রকাশের পর নিয়ম অনুযায়ী তারা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ ও ডোপ টেস্ট রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র জমা দেন। কিন্তু আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো নিয়োগপত্র পাননি তারা।