বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
সুন্দরবনের পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর শুঁটকিপল্লি থেকে ৬ জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে বনদস্যু করিম শরীফ বাহিনীর সশস্ত্র সদস্যরা শেলারচর ফরেস্ট টহল ফাঁড়ি সংলগ্ন জেলেপল্লিতে হানা দিয়ে অস্ত্রের মুখে তাদের তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় শেলারচরসহ আশপাশের শুঁটকি উৎপাদনকারী চরগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অপহৃত জেলেরা হলেন, খাইরুল ইসলাম (৩৫), ফারুক হোসেন (২৮), শামসুল ইসলাম (২৫), সফরুল ইসলাম (৩২), মারুফ হোসেন (২৮) ও মিলন (৩০)। তাদের বাড়ি খুলনার কয়রা এবং বাগেরহাটের রামপাল ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানিয়েছে বনবিভাগ।
পূর্ব সুন্দরবনের দুবলার চরের কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় মুঠোফোনে বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে করিম শরীফ বাহিনীর একদল অস্ত্রধারী দস্যু শেলারচরের জেলেপল্লিতে হানা দেয়। দস্যুরা জেলেদের জিম্মি করে ৬ জনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ সময় একটি মাছ ধরার ট্রলারও নিয়ে যায় তারা।
বন বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে শেলারচরে ৮০১ জন জেলে নিয়মিত শুঁটকি তৈরির কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। তবে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে অধিকাংশ জেলে ও তাদের মহাজনরা নিজ নিজ এলাকায় ভোট দিতে চলে যাওয়ায় শুঁটকিপল্লির বড় অংশ ফাঁকা হয়ে পড়ে। অল্পসংখ্যক জেলে পাহারায় থাকায় দস্যুরা এ সুযোগ নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অপহৃতরা কোন মহাজন বা বহদ্দারের অধীনে কাজ করছিলেন, তা নিশ্চিত করতে পারেননি বন কর্মকর্তারা।
এসিএফ মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, শুঁটকিপল্লি থেকে জেলে অপহরণের ঘটনাটি আমরা স্বাভাবিকভাবে দেখছি না। ঘটনার পর থেকে শেলারচরে অবস্থানরত জেলেদের নিরাপত্তায় ফাঁড়ির বনরক্ষীদের টহল জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে অভিযান পরিচালনার জন্য কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জেলেদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।