বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং উন্নয়ন সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বিস্তৃত ও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
জাইকা সদর দপ্তরের হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট বিভাগের পরিচালক মোচিজুকি হিরোশির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। মতবিনিময়কালে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে শিল্পকারখানার বাস্তব চাহিদার ব্যবধান কমাতে একটি সময়োপযোগী নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে। শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক দক্ষতা বাড়াতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তা জাতীয় শিক্ষাক্রমে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেখানে জাপানি ভাষার অন্তর্ভুক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম বিতরণ ও মিড-ডে মিল চালুর মতো কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। একই সঙ্গে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়ন, উচ্চশিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণায় জাইকার আরও জোরালো সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে ভাষা শিক্ষা অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। প্রধানমন্ত্রী জাপানি ভাষা ও উন্নত কারিগরি শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণে জাপানের নিবিড় সহযোগিতার আহ্বান জানান। এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দীন আল মাহমুদ সোহেল এবং জাইকার উপদেষ্টা উসাগাওয়া সুয়োশি ও জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি মোরিকাওয়া ইউকোসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।