বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, যেসব জেলায় বর্তমানে জিলা স্কুল নেই, সেখানে জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই স্কুলগুলো প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে পরিচালিত হবে, যা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সমন্বিত করবে।
মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো পুনরায় তদন্ত করে একটি হালনাগাদ তালিকা তৈরি করতে হবে। পরীক্ষায় যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও নকল প্রতিরোধে মন্ত্রণালয় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে। বিশেষ করে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়ন করা হবে।
বোর্ড চেয়ারম্যানদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে শরীর তল্লাশি নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। পরীক্ষা চলাকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্নপত্র কিংবা প্রশ্নসংক্রান্ত কোনো ভুয়া কনটেন্ট আপলোড করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, মেধাভিত্তিক জাতি গঠনের জন্য আমাদের বর্তমান পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। অটোপাশের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি ব্যবহারিক পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা বন্ধ করে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন।