বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘ক্যাঙারু কোর্টের রায়’ বলে মন্তব্য করার ঘটনায় আদালতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন আওয়ামীপন্থি দুই আইনজীবী।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট মামলার রায় নিয়ে এমন মন্তব্যের পর দুই আইনজীবী আদালতে হাজির হয়ে ক্ষমা চান। তাদের এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ সশরীরে হাজির হয়ে তারা এই নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এখন শুনানি শেষে আদালত অবমাননার মাত্রা বিবেচনা করে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন ট্রাইব্যুনাল।
এদিকে আওয়ামীপন্থি দুই আইনজীবীর আদালত অবমাননার মামলা ঘিরে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ট্রাইব্যুনাল-২ এর সব মামলার শুনানি বাতিলের পাশাপাশি আইনজীবীদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর এ মামলার শুনানির দিন ধার্য থাকলেও বিচারকের অসুস্থতার কারণে তা পিছিয়ে যায়। সেদিনও আদালত অবমাননার অভিযোগের জবাব দিতে ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছিলেন অভিযুক্ত আইনজীবী হাসানুজ্জামান তুষার ও হাসান চৌধুরী। সে সময় তাদের সঙ্গে আরও কিছু আওয়ামীপন্থি আইনজীবী এলেও নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সবাইকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
মূলত গত ১৫ সেপ্টেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে পরদিন অর্থাৎ ১৬ সেপ্টেম্বর ওই দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন পক্ষ।
সে সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পেশায় আইনজীবী হওয়ায় তাদের এমন নেতিবাচক মন্তব্যে বিচারব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। আর সেই কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।