বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৩৪ কোটি টাকার ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম) ও প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে আরও তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সাক্ষ্য দেওয়া ব্যক্তিরা হলেন—আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মোদাচ্ছের হাসান, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের (আরজেএসসি) সহকারী নিবন্ধক অনন্ত কুমার পাল এবং আভিভা ফাইন্যান্সের ডিপোজিট অপারেশনসের এভিপি ও সিআরএম প্রধান মিদহাত আজিজ।
আদালত সূত্র জানায়, মিদহাত আজিজের জেরা সম্পন্ন হয়েছে। তবে অপর দুই সাক্ষীর জেরা শেষ হয়নি। তাদের জেরা সম্পন্নের জন্য আগামী ৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।
এই নিয়ে মামলায় মোট ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো।
মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস। এছাড়া রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের সাবেক কর্মকর্তাদের কয়েকজন এবং মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক এমডি ও পরিচালকরাও এ মামলার আসামি।
আসামিদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অন্যরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট নামসর্বস্ব একটি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার মেয়াদি ঋণ অনুমোদন করা হয় এবং পরে তা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়।
এর আগে, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি আদালত ১৩ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। গত বছরের ২ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক এ মামলাটি দায়ের করেন। পরবর্তীতে ১৬ অক্টোবর অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।