বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ আমলে নিয়ে পাঁচ আসনের (ঢাকা-১৩, গাইবান্ধা-৫, ঢাকা-৫, পাবনা-৩ এবং কুষ্টিয়া-৪ আসন) ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালত এই আসনগুলোর নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা আবেদনগুলো শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট আসনের অন্য প্রার্থীদের প্রতি নোটিশ ইস্যু করেছেন।
ঢাকা-১৩ আসনে ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছিলেন খেলাফত মজলিস ও জামায়াত জোটের প্রার্থী মামুনুল হক। এই আসনে বিজয়ী হয়েছিলেন বিএনপির ববি হাজ্জাজ। আদালত এই আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ঢাকা-১৩ ছাড়াও বিএনপির ৪ জন হেভিওয়েট প্রার্থীর করা আবেদন আমলে নিয়েছেন আদালত। তারা হলেন: গাইবান্ধা-৫ অঅসনের ফারুক আলম সরকার, ঢাকা-৫ আসনের নবী উল্লাহ নবী, পাবনা-৩ আসনের হাসান জাফির তুহিন এবং কুষ্টিয়া-৪ আসনের সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে অনিয়মের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে এই বিশেষ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চে বর্তমানে এসব আবেদনের শুনানি চলছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত বিএনপির ১৪ জন, ১১ দলীয় জোটের ৯ জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ২৫ জনেরও বেশি প্রার্থী ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছেন। আদালত প্রতিটি আবেদনের গুরুত্ব বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জামাদি ইসিকে বিশেষ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালতের এই আদেশের ফলে বিতর্কিত আসনগুলোর ভোট পুনঃগণনা বা তদন্তের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলো। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের নোটিশের জবাব দাখিলের পর আদালত পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করবেন।