বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের বিচারের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন আজ। দেশের ইতিহাসে সিরিয়াল কিলার হিসেবে যে ব্যক্তি সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করেছেন, তেমন একজনের বিচার এই ট্রাইব্যুনালে চলছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তার (জিয়াউল) বিরুদ্ধে বলপূর্বক অপহরণ-গুম করে মানুষদের হত্যা করার যে অভিযোগ প্রসিকিউশন এনেছে, সে মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ইকবাল করিম ভূঁইয়া। তিনি অত্যন্ত আলোচিত, মেধাবী ও অত্যন্ত দূরদর্শী একজন সেনাপ্রধান ছিলেন। জবানবন্দিতে কীভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব নষ্ট করা হয়েছে; তা তুলে ধরেছেন জবানবন্দিতে।
তাজুল ইসলাম বলেন, একজন সাবেক সেনাপ্রধান হিসেবে সেনাবাহিনীকে রক্ষা করার জন্য যত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, তিনি সেই ব্যবস্থাগুলো কীভাবে গ্রহণ করার চেষ্টা করেছেন এবং তার চেষ্টাগুলোকে কীভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তারিক আহমেদ সিদ্দিকের নেতৃত্বে একটা যে চক্র তৈরি হয়েছিল, তারা কীভাবে এটাকে ব্যর্থ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন সেই কথাগুলো আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন তিনি। এছাড়া কীভাবে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদ তৈরির মাধ্যমে একটা ডিপ স্টেট তৈরি করা হয় এবং সেনাবাহিনীর কমান্ডের বাইরে আরেকটি কমান্ড স্ট্রাকচার তৈরি করা হয়। সেই কমান্ড স্ট্রাকচারকে দিয়ে সেনাবাহিনীর কোনো অংশকে দিয়ে তাদের নানা ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম করা হয়েছে বলে তিনি সাক্ষ্যতে বলেছেন।
সর্বোপরি সাবেক এই সেনাপ্রধান আজ যার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন, তিনি সেই সময়ে কর্নেল জিয়া নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি কীভাবে মানুষ হত্যা করেছেন, র্যাবে গিয়ে গুমপূর্বক মানুষ হত্যার ব্যাপারে তার যে দক্ষতা ও বেপরোয়া মনোভাব ছিল, সেসব বিষয়ে আদালতে তুলে ধরেছেন বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।