বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রাম মহানগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে চলমান মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের দাবি, ৩৬টি খালের মধ্যে ৩০টির কাজ ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ হওয়ায় চলতি বর্ষা মৌসুমে নগরীর জলাবদ্ধতা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে এসেছে। অবশিষ্ট কাজ শেষ হলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্থায়ী সমাধানের আশা করছেন তারা।
মঙ্গলবার নগরীর বাকলিয়ার রাজাখালী আর্মি ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চট্টগ্রাম জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক ও সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহসিন।
তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতায় থাকা ৩৬টি খালের মধ্যে ৩০টির সংস্কার ও উন্নয়নকাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। বাকি ছয়টি খালের মধ্যে পাঁচটির কাজ প্রায় ৯৮ শতাংশ সম্পন্ন হলেও বর্ষার কারণে কিছু সমাপনী কাজ আপাতত স্থগিত রয়েছে। সেগুলো ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, হিজড়া খালের কাজ বর্তমানে ৬৮ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বর্ষাকালে খনন চালালে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় কাজ শুরু করে ফেব্রুয়ারির মধ্যে রিটেইনিং ওয়াল, সেতু এবং তিনটি সিল্ট ট্র্যাপ নির্মাণ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক জানান, চলতি মাসের ৫ জুলাই থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পতেঙ্গা ও আমবাগান আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী ৫৪৬ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা গত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এত ভারী বৃষ্টির পরও নগরীর অধিকাংশ এলাকা থেকে দ্রুত পানি নেমে যাওয়াকে তিনি প্রকল্পের ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রবর্তক মোড় এলাকায় খাল পরিষ্কার ও উন্নয়নকাজ শেষ হওয়ার পর সেখানে আর জলাবদ্ধতা দেখা যায়নি। যদিও কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা ও মুরাদপুর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন কয়েকটি স্থানে সাময়িকভাবে পানি জমেছিল, তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তা নেমে যায়।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন হলে চট্টগ্রামবাসী বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে আরও বড় ধরনের স্বস্তি পাবেন।