বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

অতিরিক্ত ডিআইজি টুটুল চক্রবর্তী
ডিআইজি পরিচয় দিয়ে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার ও অনুমোদিত ছুটির আগেই অননুমোদিতভাবে কর্মস্থল ত্যাগসহ গুরুতর অসদাচরণের দায়ে অতিরিক্ত ডিআইজি টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয় এবং বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মন্ত্রণালয় থেকে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, টুটুল চক্রবর্তী সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন এবং আদেশে তাঁকে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি থেকে ‘পলাতক’ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, রাজশাহীতে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে দায়িত্ব পালনকালে টুটুল চক্রবর্তীর জন্য ২০২৫ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর দুই দিনের স্টেশন ত্যাগের অনুমতি এবং ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর তিন দিনের নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর ছিল। কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই ১৩ নভেম্বর কোনো ধরনের প্রস্থান প্রতিবেদন জমা না দিয়ে বিধিবহির্ভূতভাবে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। একই সঙ্গে ওই দিন সকালে শাহ মখদুম বিমানবন্দরে নিজেকে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি পরিচয় দিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ সুবিধা গ্রহণ করেন এবং সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানে ঢাকায় চলে আসেন।
আদেশে আরও জানানো হয়, এর আগেও একাধিকবার তিনি নিজেকে ডিআইজি পরিচয় দিয়ে ওই বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ সুবিধা নেন, যা রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নজরে আসে এবং পুলিশের প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করে। শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। এরপর ২ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগের পর ৭ মে তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়ে, যাতে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। পরবর্তীতে ১৬ জুন দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি নিশ্চুপ থাকেন। অভিযোগ ও তদন্ত পর্যালোচনা করে চাকরি থেকে অপসারণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) মতামত চাওয়া হলে গত ১৪ সেপ্টেম্বর কমিশন বরখাস্তের সুপারিশ করে। এরপর ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর আওতায় তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তের এই গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।