বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

খুলনা-মোংলা মহাসড়কে পথসভায় প্রধানমন্ত্রী
শ্রমিকদের দাবিদাওয়াকে সামনে রেখে সীমান্তের ওপার থেকে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কোনো শ্রমিক নিজের কর্মস্থল ও জীবিকার উৎস ধ্বংস করতে পারেন না। অথচ একটি মহল বিভিন্ন শিল্পকারখানায় হামলা, ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের খুলনা-মোংলা মহাসড়কের কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, গত পাঁচ দশকে দেশে গড়ে ওঠা শিল্পকারখানাগুলো বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। এসব প্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ শ্রমজীবী মানুষ, বিশেষ করে নারী শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। শিল্পকারখানাগুলো দেশের সম্পদ, সাধারণ মানুষের সম্পদ। শ্রমিকেরা কখনো নিজের কর্মস্থল ও রুটি-রুজির ক্ষতি চাইতে পারেন না।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের দাবির আড়ালে একটি মহল কলকারখানায় গিয়ে ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এর পেছনে কারা রয়েছে, তা দেশের মানুষকে বুঝতে হবে।
গত ১৫-১৬ বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময়ে একটি মহল মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেনি। বরং মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে।
গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তারাই এখন সীমান্তের ওপার থেকে কলকাঠি নাড়ছে। দেশে বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে।
শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক ভাই-বোনদের বেতন-ভাতা নিয়ে যেসব দাবি রয়েছে, সরকার সে বিষয়ে অবগত। এসব দাবি পর্যালোচনা ও নতুন মজুরি নির্ধারণের জন্য ইতিমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ড কাজও শুরু করেছে। ইনশাআল্লাহ, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে নতুন নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করা হবে, যাতে শ্রমিকেরা সম্মানজনকভাবে জীবনযাপন করতে পারেন।