বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর বাজারগুলোতে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় বেশির ভাগ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। পাশাপাশি গত দিনের তুলনায় কমেছে মুরগির ডিমের দাম। তবে চাল, ডাল, তেল, লবণ ও পেঁয়াজের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, নতুন আলু ১০০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং ছোট বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। পটল, ঢ্যাঁড়শ ও চিচিঙ্গার কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ১০০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।
এ ছাড়া প্রতি কেজি টমেটো ১৪০ টাকা, জলপাই ৫০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, কচুরমুখি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং শসা ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বটবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।
কিছু পণ্যে দাম কমার চিত্রও দেখা গেছে। আলুর কেজি আগের তুলনায় ৫ টাকা কমে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকায়। অন্যদিকে পেঁয়াজের দাম রয়েছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকার মধ্যে।
শাকসবজির মধ্যে লাল শাকের আঁটি ১৫ টাকা, লাউ শাক ৫০ টাকা, কলমি শাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাঁটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক হালি লেবুর দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা। কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং চালকুমড়া আকারভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্যাপসিকামের কেজি ৩৫০ টাকা।
মুরগির বাজারে কয়েক ধরনের পণ্যের দামে ভিন্নতা দেখা গেছে। সোনালি কক মুরগির কেজি ২০ টাকা বেড়ে ৩৩০ টাকায় উঠেছে। সোনালি হাইব্রিড মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৬০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৭০ টাকা কেজি দরে।
অন্যদিকে মুরগির লাল ডিমের এক ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন ১৮০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের চারটি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের চারটি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে মাছের দাম প্রজাতি ও আকারভেদে ভিন্ন রয়েছে। চাষের শিং মাছের কেজি ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা এবং দেশি শিং ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা। রুই মাছের কেজি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা। দেশি মাগুর ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, বোয়াল ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা, পোয়া ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৪০ টাকা। কৈ মাছের কেজি ২২০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১ হাজার ৪০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকা এবং পাঁচমিশালি মাছ ২৪০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজারে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বাজারে চাল ও ডালের দাম গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে। মানভেদে সরু নাজিরশাইল ও মিনিকেট চালের কেজি ৭০ থেকে ৮৫ টাকা। মাঝারি মানের পাইজাম, ব্রি-২৮ ও ব্রি-২৯ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬৫ টাকায়। মোটা চায়না ইরি ও স্বর্ণা চালের কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।
ডালের মধ্যে ভারতীয় মসুরের কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, দেশি মসুর ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা এবং মানভেদে মুগ ডাল ১২০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সব মিলিয়ে রাজধানীর বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও আলু ও পেঁপের মতো কিছু পণ্যে কমতি রয়েছে। ডিমের দাম কমায় ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে। তবে মুরগি, মাছ ও মাংসের তুলনামূলক বেশি দামের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যে পরিবারের মোট ব্যয় কতটা কমছে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।