বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
দেশে সারের কোনো সংকট নেই এবং সরকারি গুদামগুলোতে কৃষির চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মাঠপর্যায়ের সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন:
"ইউরিয়া সারের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে কোনো ঘাটতি নেই। তবে আগামী রবি মৌসুমে আলু, সরিষা ও ভুট্টার জন্য যে নন-ইউরিয়া সার প্রয়োজন হবে, কিছু কৃষক তা প্রয়োজনের আগেই অগ্রিম কেনা ও মজুত শুরু করায় সাময়িক কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছিল।"
এর আগে গত সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের ভোগান্তিতে ফেলা অসাধু ডিলার ও ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সার ব্যবস্থাপনা ও সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করতে কৃষি মন্ত্রণালয়কে সহায়তার জন্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মীর শাহে আলম জানান, ডিলারদের মধ্যকার শঙ্কা দূর করতে ইতোমধ্যে পরিপত্র জারি করা হয়েছে; যেখানে স্পষ্ট করা হয়েছে যে কোনো ডিলারের দায়িত্ব বাতিল করা হচ্ছে না এবং বর্তমান ডিলারদের মাধ্যমেই যথাসময়ে কৃষকের দোরগোড়ায় সার পৌঁছানো হবে। যেসব ডিলার যথাসময়ে সার উত্তোলন ও বিতরণে গাফিলতি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এর আগে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মধ্যে হুইলচেয়ার, কৃতী ছাত্রীদের মধ্যে সাইকেল, বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ এবং এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে সংবর্ধনা স্মারক বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের হাতে ছাত্রীদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে ঢেউটিন ও আর্থিক অনুদান হস্তান্তর করা হয়।