বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

মন্ত্রী সাচিং প্রু
পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমির গুণগত মান নির্ণয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং কৃষি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পাহাড়ি অঞ্চলে ‘মৃত্তিকা ট্রেড সেন্টার’ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের জুলাই মাসের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, মাটির গঠন ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে পার্বত্য অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব অর্থকরী ফসল, উন্নত জাতের মাশরুম ও লটকন চাষের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে প্রান্তিক পর্যায়ে ভেড়া ও মহিষ পালনের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
পাহাড়ি কৃষির অমিত সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন:
"অর্থনৈতিক মূল্য রয়েছে—এমন প্রকল্প গ্রহণ করা এখন অত্যন্ত জরুরি। পাহাড়ি মাটি বিশেষ কিছু প্লান্টেশনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও নেপালের মতো এশিয়ার বিভিন্ন দেশ আধুনিক জুমচাষ ও বাগান ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিজেদের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করেছে। আমাদের দেশের কৃষিতেও কাজুবাদাম ও কফি চাষের উচ্চ ফলনশীল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এমন বিপ্লব ঘটাতে হবে।"
সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়ে বলেন, অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকৃত পরিবারগুলোকে সরকারি খাসজমিতে পুনর্বাসন করতে হবে এবং ভূমির মালিকানা সংক্রান্ত সমস্যা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রথাগত বিধি অনুযায়ী সমাধান করতে হবে। তিনি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর তামাক চাষ বন্ধ করে কৃষকদের ইক্ষু, তুলা, কাজুবাদাম, কফি ও অর্গানিক রামবুটান চাষে উৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট দূরীকরণ এবং ফল প্রক্রিয়াজাতকরণে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের তাগিদ দেন।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পাড়াকেন্দ্রের মেয়েদের জন্য বিশেষ শিক্ষা কার্যক্রম এবং সেন্ট্রাল স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর উদ্যোগের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। সভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর হাত থেকে শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী পুরস্কার গ্রহণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা ও ভাইস চেয়ারম্যান (যুগ্মসচিব) শেখ ছালেহ আহাম্মদ। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মংসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।