বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি: সংগৃহীত
ভিন্ন একটি ঘটনার পুরোনো ও অপ্রাসঙ্গিক ভিডিও ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচার শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্টচেকিং ও মিডিয়া রিসার্চ টিম ‘বাংলাফ্যাক্ট’।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, বাংলাদেশে একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে তাঁর বাবার সামনে ধর্ষণ করার পর সেই নারী ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছেন এবং তাঁর বাবা কান্না করছেন—এমন দাবি জুড়ে দিয়ে ভারতীয় কিছু এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল।
ভিডিওটি গভীরভাবে যাচাই-বাছাই ও অনুসন্ধান করে বাংলাফ্যাক্ট নিশ্চিত করেছে যে, ধর্ষণের দাবি করে প্রচারিত ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ঘটনার। প্রকৃতপক্ষে, ঘটনাটি কুমিল্লার একটি এলাকায় ঋণের কিস্তির টাকা পরিশোধ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক দম্পতিকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার। ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের একজন নিজেও সনাতন ধর্মাবলম্বী ছিলেন।
ফ্যাক্টচেকিং গবেষকেরা উল্লেখ করেছেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এবং ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অপতথ্য ও মনগড়া খবর ছড়ানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার, গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দল ও সংগঠন এবং পরবর্তী সময়ে ক্ষমতাসীন প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ-পিআইবির ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস টিম ‘বাংলাফ্যাক্ট’ নিয়মিতভাবে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া তথ্য যাচাই করে প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে তুলে ধরার দায়িত্ব পালন করে আসছে।