বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : প্রতিনিধি
ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে যুবলীগের দুই নেতা-কর্মীকে আটক করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন জানান, ঘটনার তদন্তের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার পূর্ব ভাকুম গ্রামের বাসিন্দা মো. নুরুল ইসলাম (৫২) এবং সাভার পৌর এলাকার আনন্দপুরের বাসিন্দা মো. সজীব (৩২)।
পুলিশের ভাষ্য, নুরুল ইসলাম জয়মন্টপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। অপরদিকে সজীব যুবলীগের একজন কর্মী হিসেবে পরিচিত।
সোমবার (৬ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার পৌর এলাকার তারাপুর মাঠে এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ কর্মসূচির সমাবেশ চলাকালে মঞ্চের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং চারজন আহত হন।
আহতদের মধ্যে স্টার মো. শাহীন খান্দকার (৩০), এনাম মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মো. জসিম (২৬) এবং মো. শাহাদাত হোসেন (৪০)-এর পরিচয় জানা গেছে। অপর আহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ঘটনার পর সমাবেশ শেষ করে রাত ১০টার দিকে এনসিপির নেতা-কর্মীরা সাভার মডেল থানার সামনে অবস্থান নেন।
এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির কারণেই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনারও আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পাশাপাশি এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।