বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

মাদারীপুর শহরের পানিছত্র এলাকায় রাস্তার পাশে অজ্ঞাতপরিচয় পড়ে থাকা বৃদ্ধ হেমায়েত মোল্লাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন (এবিজি ফাউন্ডেশন)। একই সঙ্গে সংবাদটি দেখে তার খোঁজ পান স্বজনরা।
বৃদ্ধ হেমায়েত মোল্লাকে ফিরিয়ে নেন বাড়িতে।
জানা যায়, প্রায় ৭০ বছর বয়সী হেমায়েত মোল্লাকে কয়েক দিন ধরে মাদারীপুর পৌরসভার পানিছত্র এলাকায় অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। বয়সের ভার, অসুস্থতা ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে তিনি ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারছিলেন না। পথচারীরা খাবার ও পানি দিলেও তার পরিচয় জানা যাচ্ছিল না।
পরে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় যুবক ও সংবাদকর্মীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বুধবার আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন (এবিজি ফাউন্ডেশন) বৃদ্ধের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।
অন্যদিকে সংবাদটি দেখে বৃদ্ধের স্বজনরাও তার সন্ধান পান। তারা মাদারীপুর সদর হাসপাতালে এসে পরিচয় নিশ্চিত করেন।
পরে হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা শ্যামল পান্ডে এবং জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা বি এম আসাদুজ্জামানের উপস্থিতিতে বৃদ্ধ হেমায়েত মোল্লাকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্বজনরা জানান, বৃদ্ধের নাম হেমায়েত মোল্লা। তার বাড়ি খুলনা জেলার সোয়াডাঙ্গা উপজেলার বানরগাতি আল-আমিন কান্দী এলাকায়। তার ছেলে তারেক হোসেন মোল্লা, ফারুক মোল্লা এবং নাতি মনিরুল ইসলাম হাসপাতালে উপস্থিত থেকে দাদাকে পরিবারের কাছে নিয়ে যান।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা শ্যামল পান্ডে বলেন, বাংলাদেশ প্রতিদিনে সংবাদ প্রকাশের পরই বৃদ্ধের স্বজনরা তার সন্ধান পান এবং হাসপাতালে এসে তাকে নিয়ে যান। একই সঙ্গে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন (এবিজি ফাউন্ডেশন) বৃদ্ধের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। তাদের এই মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।
মাদারীপুর জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা বি এম আসাদুজ্জামান বলেন, সংবাদটি প্রকাশের পর আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন (এবিজি ফাউন্ডেশন) যেভাবে অসহায় এই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই মানবিক উদ্যোগ সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ।
বৃদ্ধের ছেলে তারেক হোসেন মোল্লা বলেন, ‘আমার বাবার পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন (এবিজি ফাউন্ডেশন)-এর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি সংবাদটি প্রকাশ করে বাবাকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করায় বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের প্রতিও ধন্যবাদ।